রাজশাহী বুধবার, ৫ই আগস্ট ২০২৬, ২১শে শ্রাবণ ১৪৩৩


পর্যটনমন্ত্রী প্রহ্লাদ প্যাটেল বলেছেন

পুরো দোকানটি কাচে মুড়ে ফেলা হবে


প্রকাশিত:
৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১১:০৮

আপডেট:
৫ আগস্ট ২০২৬ ০৫:২৬

ছবি: নরেন্দ্র মোদির চায়ের দোকান

‘দোকানটির মূল কাঠামো পরিবর্তন না করে সংস্কার করা হবে। পুরো দোকানটি কাচে মুড়ে ফেলা হবে। পুরো এলাকার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হবে। এ খাতে অর্থ বরাদ্দ করবে কেন্দ্রীয় সরকারের পর্যটন দফতর।’ বলে ঘোষনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের পর্যটনমন্ত্রী প্রহ্লাদ প্যাটেল।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছোটবেলা কেটেছে অভাব অনটনে। দারিদ্রের কষাঘাতে ছোটবেলায় ভাদনগর স্টেশনে চা বিক্রি করতেন। সেই চায়ের দোকানকে দর্শনীয় স্থান বানানোর উদ্যোগ নিয়েছে মোদি সরকার।

কেন্দ্রীয় সরকারের পর্যটনমন্ত্রী প্রহ্লাদ প্যাটেল ভাদনগর স্টেশনে সেই চায়ের দোকানের বর্তমান অবস্থা দেখে এ উদ্যোগ নেয়ার কথা জানান।

জানা যায়, ছোটবেলায় ভাদনগর স্টেশনে বাবার সঙ্গে চা বিক্রি করতেন নরেন্দ্র মোদি। পরিবারের দায়িত্ব তখন তার কাঁধে। ভাদনগরের সেই ছোট্ট নরেন এখন বিশ্বনন্দিত নেতা। তার কাঁধে এখন পুরো ভারতের দায়িত্ব। স্বাভাবিকভাবেই মোদির ছোটবেলার সেই স্মৃতির প্রতি পর্যটকদের আকর্ষণ থাকবে।

সূত্র জানায়, এলাকাটি উন্নত করে চায়ের দোকানকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনস্থল হিসেবে গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে। মোদির ছোটবেলা থেকে বেড়ে ওঠা পর্যন্ত সব স্মৃতিবিজড়িত স্থানই পর্যটনস্থল হিসেবে তুলে ধরা হবে। সে অনুযায়ী দুই বছর আগে ভাদনগর স্টেশনের সংস্কারও করা হয়েছে। এলাকার উন্নয়নে প্রায় ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দও করা হয়েছে।

বামপন্থী নেতারা অনেকবার চা বিক্রি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। কারণ মোদি ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে নিজেকে ‘চাওয়ালা’ হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। এ নিয়ে বিরোধীরা তার চা বিক্রি নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলেছেন।

 

 

আরপি/এমএইচ



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top