রাজশাহী বুধবার, ৫ই আগস্ট ২০২৬, ২১শে শ্রাবণ ১৪৩৩


লালপুরে হরহামেশায় মাইকিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন


প্রকাশিত:
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১০:০৩

আপডেট:
৫ আগস্ট ২০২৬ ০৪:১১

প্রতীকী ছবি

নাটোরের লালপুরে হরহামেশায় চলছে পণ্যের প্রচার-প্রচারণার মাইকিং। প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মাইকের উচ্চশব্দে চলে এমন প্রচারণা। এতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে জনজীবন। প্রতিকারের জন্য আইন থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন পদক্ষেপ নেই। নীরব ঘাতক ক্ষতিকর শব্দ দূষণ থেকে মানুষকে রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি সচেতন নাগরিকদের। 

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে রোগীদের আকৃষ্ট করতে চিকিৎসকের নামে প্রচার, ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে মুরগি, মাছ, মাংশ বিক্রিসহ মাইকে বিভিন্ন ধরণের প্রচার চালানো হয়। এতে শব্দ দূষণ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। হাইড্রোলিক হর্ণ ও মাইকের শব্দ মানুষের কানের জন্য যন্ত্রণাদায়ক। শব্দ দূষণের কারণে মানুষের মানসিক ও শারীরিক অসুস্থতার সৃষ্টি করে। অতিরিক্ত শব্দ উচ্চ রক্তচাপ, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, মাথা ধরা, এবং অনিদ্রার কারণ বলে জানান চিকিৎসকরা।

মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক জামিরুল ইসলাম, প্রাথমিক স্কুল শিক্ষিকা তানিয়া পারভিন, ব্যাংক কর্মকতা আব্দুর রহিম বলেন, দিনের পাশাপাশি গভীর রাতেও কারণে অকারণে অনেকে উচ্চশব্দে গান শুনে, গানের জন্য লেখাপড়া, ঘুম ঠিকমতো হয় না, এমন শব্দ দূষণ রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তারা।

লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা কেএম শাহাবুদ্দিন বলেন, শব্দদূষণের একটি মাত্রা আছে। মাত্রার বেশি শব্দদূষণ হলে দীর্ঘমেয়াদী কানের শ্রবণের সমস্যা হতে পারে। এবিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর ব্যবস্থা নিতে পারে।

লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা শামীমা সুলতানা বলেন, এ রকম শব্দ দূষণ যদি কোথাও হয়ে থাকে আমাকে অভিযোগ করলে আমি তৎক্ষণাৎ সেই ইউপি চেয়ারম্যানকে বলে অবশ্যই উচ্চ শব্দ বন্ধ করার ব্যবস্থা করবো।

 

 

আরপি/এসআর-০৯



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top